
বছরের শুরু থেকেই চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে সোনার বাজারে। বিশ্ববাজারের উত্থান-পতনের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে গিয়ে দেশের বাজারে ইদানিং ১২ ঘণ্টাও টিকছে না নির্ধারিত দাম। রাতে এক দাম নির্ধারণের পর আবার দিনের প্রথম ভাগেই দাম পরিবর্তন করে ফেলছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (বাজুস)। সব মিলিয়ে সোনার দাম নিয়ে চলছে অস্থির এক উত্থান-পতনের খেলা।
সবশেষ মঙ্গলবারও (৩ ফেব্রুয়ারি) বজায় ছিল এই ধারাবাহিকতা। আগের দিন সকাল ও বিকালে দুই দফায় বড় পতনের পর এদিন আবার দুই উচ্চ লাফ দেখা গেছে সোনার দামে।
গতকাল সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানোর পর বিকেলে আবার ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছে বাজুস। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন দাম।
বাজুসের সবশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
বাজার থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার। যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল সোনার ডাম; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
সোনার পাশাপাশি মঙ্গলবার দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৬ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
dailymeghna.com