ভোটাররা কেন্দ্রে যা করতে পারবেন, আর যা পারবেন না

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। দেশজুড়ে এখন ভোটের উত্তেজনা ও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যানুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন।

ইসি জানায়, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটের দিন ভোটার, প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য কিছু নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ ও নির্দেশনা থাকছে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর ভোটারদের করণীয় ও নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে ধরা হলো—

ইসি জানায়, ভোটারদের অবশ্যই সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল সাড়ে ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময় পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ সঙ্গে নেওয়া যাবে না। ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন এবং বাইরে ছবি তুলতে পারবেন। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

যেকোনো পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। তবে নেকাব পরিহিত ভোটারদের ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে একবারের জন্য নেকাব খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে।

ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে সঙ্গে থাকলে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সহজ হবে।

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাইয়ের পর পোলিং অফিসার ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার প্রদান করবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য।

ভোটারকে ব্যালট গ্রহণের সময় অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে ব্যালট পেপারের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে। এরপর ভোট প্রদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যেতে হবে।

ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখা ও ব্যালট বাতিল এড়াতে সঠিকভাবে ব্যালট ভাঁজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে। গণভোটের ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে।

সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য কোনো প্রতীকে না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাকে নিরাপদ পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করেছে ইসি। ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলে ভোট প্রদান সম্পন্ন করতে হবে।

ভোট দেওয়া শেষে ভোটারদের দ্রুত ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

About আহাম্মেদ সফি

Check Also

এই মাত্র পাওয়া খবর ১২ তারিখে প্রধান মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন….. see more

🔴 শিরোনাম ফেসবুকে ভাইরাল ‘১২ তারিখে নতুন প্রধানমন্ত্রী’ পোস্টটি ভুয়া, নেই কোনো সরকারি ঘোষণা 📰 …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *