
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলছিল। এ সময় মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন এবং বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, আমরা আমাদের অফিসে বসে নির্বাচনী কথাবার্তা বলছিলাম। সেখানে মিজান এলে কথা কাটাকাটি হয়।
তবে ঘটনার পর মিষ্টি বিতরণের একটি ভিডিও হাতে এসেছে কালের কণ্ঠের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মিজান এলাকায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকায় তাকে মারার পর বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
কবিরহাট থানার ওসি মোঃ নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা জানান, গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরো বলেন, নিহতের পরিবার এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
dailymeghna.com