সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি নারীর ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি চরম আপত্তিকর ও ভয়ংকর দাবি ভাইরাল হয়েছে। পোস্টগুলোতে ওই নারীকে ঘিরে অসংলগ্ন ও অশালীন বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, যা দ্রুত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই দাবিগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। সংশ্লিষ্ট কোনো হাসপাতাল, চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এমন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব, যেখানে একজন নারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও অপব্যবহার করে মিথ্যা গল্প তৈরি করা হয়েছে। এ ধরনের কনটেন্ট সাধারণত ভিউ, লাইক ও শেয়ার বাড়ানোর জন্যই ছড়ানো হয়।
সচেতন মহলের মতে, এই ধরনের ভুয়া খবর শুধু একজন ব্যক্তির সম্মানহানিই করে না, বরং সমাজে ভয়, বিভ্রান্তি ও অসুস্থ মানসিকতার জন্ম দেয়। একই সঙ্গে এটি ডিজিটাল অপরাধের আওতায় পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে—
🔹 যাচাই ছাড়া কোনো ভাইরাল পোস্ট বিশ্বাস বা শেয়ার করবেন না
🔹 ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে ছড়ানো গুজবে যুক্ত হবেন না
🔹 এমন কনটেন্ট দেখলে রিপোর্ট করুন, শেয়ার নয়
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বা প্রকৃত তথ্য সামনে এলে তা জানানো হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত এই ধরনের ভাইরাল দাবিকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর হিসেবেই বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
dailymeghna.com