
আছে বাড়ি-গাড়ি ও পার্ট-টাইম সুদের ব্যবসা, কে এই কোটিপতি ভিক্ষুক।
ভারতের মধ্যপ্রদেশ সরকার ইন্দোরে ভিক্ষুক উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় মঙ্গিলাল নামে এক ভিক্ষুকের খোঁজ পেয়েছে- যিনি কি না ভিক্ষা করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।
জানা গেছে, ইন্দোর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলিলের তিনটি পাকা বাড়ি রয়েছে। এমনকী তিনি দুস্থদের ঋণও দিয়ে থাকেন। এ ছাড়া তিনি মধ্যপ্রদেশ সরকার এবং রেড ক্রসের যৌথ উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি ওয়ামন বিএইচকে ফ্ল্যাটেরও সুবিধাভোগীও।
তবে তিনি ভিক্ষা করা বন্ধ করেননি। একটি কাঠের কার্ড ব্যবহার করে ইন্দোরের রাস্তায় নিয়মিত ভিক্ষা করেন মঙ্গলিল। রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন দল মঙ্গলিলকে শনাক্ত করার পর থেকেই এই ভিক্ষুক এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১১ স্কুলশিক্ষার্থী
জানা গেছে, মঙ্গিলালের তিনটি অটোরিকশা রয়েছে- যেগুলো তিনি ভাড়া দেন। এছাড়াও তার একটি মারুতি সুজুকি ডিজায়ার গাড়ি আছে। তার আবাসিক সম্পত্তির মধ্যে ইন্দোরের ভগত সিং নগর, শিবনগর এবং আলওয়াসে তিনটি তিনতলা করে বাড়ি রয়েছে।
গাড়ি এবং অটো ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি, মঙ্গিলাল ইন্দোরের সরফা বাজার এলাকার লোকদের সুদের বিনিময়ে ঋণ দিয়েও অর্থ উপার্জন করেন। তিনি নিয়মিত সরফায় যান এবং মানুষের কাছ থেকে ৪০০-৫০০ টাকা সংগ্রহ করেন, যার ফলে তিনি সেখানে একটি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
মঙ্গিলালকে শনাক্ত করার পর জেলা নোডাল অফিসার সংবাদমাধ্যমকে জানান, বেশ কয়েকজন এই ভিক্ষুকের বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিল। ফলস্বরূপ, নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের দল তাকে শনাক্ত করে।
এদিকে জেলা প্রোগ্রাম অফিসার রাজীশ সিনহা বলেছেন, রাজ্য প্রশাসন ভিক্ষুক তাড়াতে কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখবে। এমনকী যারা ভিক্ষাবৃত্তিকে উৎসাহিত করবে বা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ করবে।
dailymeghna.com