শিশুর ত্বকের যত্নে যে ৫টি ভুল কখনোই করবেন না

whatsapp sharing button
messenger sharing button
print sharing button
copy sharing button

শিশুর ত্বকের যত্নে যে ৫টি ভুল কখনোই করবেন না

ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন

কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকলে কি হৃদরোগের ঝুঁকি?

শারীরিক অবস্থা বুঝতে যেসব লক্ষণের ওপর নজর দেওয়া উচিত

সর্দি-কাশিতে আদা কতটা কার্যকরী?

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি গর্ভবতী নারীর

ডায়াবেটিস রোগীরা যেভাবে রোজা রাখলে ক্ষতি হবে না

আপনার শিশুর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কোমল হয়। পরিবেশগত কারণ যেমন শুষ্ক আবহাওয়া কিংবা দূষণের প্রভাবে শিশুর ত্বকে হঠাৎ করে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ছোটদের ত্বকের জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ত্বকের পরিচর্যায় ছোটখাটো ভুলও চর্মরোগের কারণ হতে পারে। শীতকালে ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া কিংবা র্যাশ কিংবা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাবা-মায়েরা প্রায়শই অজান্তে ভুল করে থাকেন। ফলে শিশুর ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়। কিছু ভুল রয়েছে, যা কখনোই বাবা-মায়ের করা উচিত নয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, এমন কয়েকটি ভুল বাবা-মায়ের এড়িয়ে চলা উচিত—

প্রথমত অনেক বাবা-মা শিশুর ত্বকে প্রাপ্তবয়স্কদের স্কিনকেয়ার ব্যবহার করে থাকেন। এ পণ্যগুলো শিশুর সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এতে শক্তিশালী রাসায়নিক, অ্যালকোহল ও কৃত্রিম সুগন্ধি থাকে। এ উপাদানগুলো শিশুর ত্বকের প্রতিরক্ষা স্তর নষ্ট করে দিতে পারে। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হাইপো-অ্যালার্জেনিক পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

দ্বিতীয়ত শিশুর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সানস্ক্রিন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা একটি বড় ভুল। সূর্যের ইউভি রশ্মি শিশুর ত্বক মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে, যা সানবার্ন ও ভবিষ্যতে ত্বকে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। মেঘলা দিনেও কমপক্ষে এসপিএফ ৩০-যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর তা পুনরায় লাগানো প্রয়োজন।

তৃতীয়ত শিশুকে ঘন ঘন গোসল করাবেন না। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করাও ক্ষতিকর। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সরে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সামান্য গরম পানিতে গোসল করানো উচিত। এবং গোসলের সময় তা সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত।

আবার অনেকে মনে করেন, শিশুর নরম ত্বকের অতিরিক্ত হাইড্রেশন কিংবা আর্দ্রতার প্রয়োজন নেই। কিন্তু গোসলের পর ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে। একটি মৃদু ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে আর্দ্রতা বজায় থাকে। এটি শুষ্কতা ও একজিমার মতো সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

বাবা-মায়েরা প্রায়শই র্যাশ কিংবা একজিমার মতো ছোটখাটো সমস্যাকে উপেক্ষা করেন। ত্বকের কোনো সমস্যা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা না করলে সমস্যাটি আরও বেড়ে যেতে পারে।

চতুর্থত সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী শিশুর অ্যালার্জির প্রধান কারণ। বডি ওয়াশ কিংবা সুগন্ধি লোশনে থাকা তীব্র সুগন্ধি ডার্মাটাইটিস বা একজিমার সমস্যা বাড়াতে পারে। আইএফআরএ সার্টিফায়েড অ্যালার্জেন-মুক্ত সুগন্ধিযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।

পঞ্চমত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া র্যাশের জন্য ওভার-দ্য-কাউন্টার লোশন ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে স্টেরয়েড ক্রিমগুলো শিশুর ত্বকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে সমস্যা বাড়তে পারে। র্যাশ বা অন্য কোনো উপসর্গ (যেমন জ্বর) দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

About আহাম্মেদ সফি

Check Also

ত্বকের ৫ পরিবর্তনে ধরা পড়বে ফুসফুস ক্যা’ন’সা’র, জেনে নিন

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী ক্যানসারের মধ্যে অন্যতম ফুসফুস ক্যানসার। বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে এ রোগের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *